বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ০২:০৭:৩৩

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা মাহাদী হাসানকে ব্যাপক মারধর

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা মাহাদী হাসানকে ব্যাপক মারধর

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : ছাত্রদলের হাতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেদম মার খেয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্যসচিব মাহাদী হাসান। বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে তার ওপর অতর্কিত হামলা করে।

তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মাহাদী হাসানের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

 ওই ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, মাহাদী হাসানের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলা শিকার হয়েছেন। সরকারি অফিসের ভেতরে প্রকাশ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রসঙ্গত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্যসচিব মাহাদী হাসান অভিযোগ করেছেন, ফেসবুকে তার দেওয়া একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের কর্মীরা তাকে ধাওয়া করেছিলেন গতকাল বুধবার। পরিস্থিতি ‘বেগতিক’ দেখে তিনি হবিগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন। গতকাল বুধবার দুপুরে শহরের বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

এদিকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।

মাহাদী হাসান ‘নিজের গুরুত্ব বাড়ানোর জন্য’ মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। পুলিশও বলেছে, এ ঘটনার কোনো সত্যতা খুঁজে পায়নি তারা।

 জানা গেছে, গত ২ জানুয়ারি মাহাদী জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানায় গিয়ে ওসিকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম।’ এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি আলোচনায় আসেন।

গতকাল গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে মাহাদী জানান, সম্প্রতি নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া রাজনৈতিক স্ট্যাটাস নিয়ে তাকে লক্ষ্য করে এ ঘটনা ঘটে।

ওই স্ট্যাটাসে তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে সমালোচনা করেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ এনে তার প্রশংসা করেন। বিষয়টি জেলা ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী সহজভাবে নেননি।

গতকাল দুপুরে মাহাদী হাসান ফেসবুক লাইভে উত্তেজিত হয়ে বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে তিনি বিআরটিএর কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি একটি ইজি বাইকে বাসায় ফিরছিলেন। ওই সময় ছাত্রদলের কর্মীরা তাকে ধাওয়া করেন। ভিডিওতে মাহাদীর সঙ্গে ইজি বাইকে আরেকজনকে দেখা যায়। তারা হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে